Logo

রাজস্থানের বোলারদের কাটার-ইয়র্কার শিখিয়েছেন মুস্তাফিজ

আঃ আলীম । ষ্টাফ রিপোর্টার, স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২ জুন, ২০২১
রাজস্থানের বোলারদের কাটার-ইয়র্কার শিখিয়েছেন মুস্তাফিজ

এবারের ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) চতুর্দশ আসরে বাংলাদেশের বিস্ময় বালক দ্যা ফিজ খ্যাত মুস্তাফিজুর রহমান ছিলেন আসরের অন্যতম ফেবারিট টিম রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে। বিদেশি তারকা বোলাররা ইঞ্জুরিতে পরায়, এবং মহামারী করোনায় আসর পণ্ড হওয়ার আগ পর্যন্ত এই মুস্তাফিজই নেতৃত্ব দিয়েছেন রাজস্থানের পেস আক্রমণকে। এ সময় তার অসাধারন কাটার এবং ইয়র্কার সমন্বয়ে দারুন বোলিং নৈপুন্য দিয়ে তিনি হয়ে ওঠেন দলটির মধ্য মনি। তার এই প্রতিভার ঝলকের কারনেই, তার কাছে কাটার ও ইয়র্কারে পরাভুত হয়েছেন, বিশ্বের নামি দামি বাঘা বাঘা সব ব্যটস মানরা।তার বোলিং জাদুতে রাজস্হানে তার শিষ্যও জুটে গেছে।আর মুলত এই কারনেই তার কাছে ইয়র্কার ও কাটার শিখতে চাইতেন রাজস্থানের তরুণ তিন স্থানীয় পেস বোলার।

চেতন সাকারিয়া সহ স্হানীয়দের সাথে মাঠে মুস্তাফিজের রসায়ন জমেছিল বেশ ভালো। মাঠের বাইরেও তিনি ছিলেন তাদের পরামর্শ দাতার ভূমিকায়। তাদের শেখার আগ্রহ দেখে মুগ্ধ বাংলাদেশি এই বিশ্বসেরা কাটার মাস্টার।

তিনি বলেন, ‘ওদের শেখার আগ্রহটা অনেক বেশি। এদিকটা আমার খুব ভালো লেগেছে। আমার কাছে শোনে আমি কীভাবে কাটার মারি কিংবা ইয়র্কার মারি,এই আসরে আমার ইয়র্কার খুব ভালো ছন্দে যাচ্ছিল। কোন জায়গায় তাকালে আমার ইয়র্কার ভালো হয়, রানআপে দ্রুত যাব নাকি আস্তে যাব- অনেকে নানান ভাবেই জানতে চায় ওরা। আমি আমার উত্তরে এসব বলি, সেভাবে ওরাও চেষ্টা করে।’

চলতি আইপিএল স্থগিত ঘোষণার আগে ৭টি ম্যাচ খেলেছিল রাজস্থান, মুস্তাফিজ একাদশে ছিলেন প্রতিটি ম্যাচেই। খেলার যেকোন গুরুত্বপূর্ণ সময়ে অধিনায়ক স্যাঞ্জু স্যামসনের আস্থার প্রতীক ছিলেন তিনি। স্যামসন যেমন মুগ্ধ ছিলেন মুস্তাফিজের বোলিং পারফরম্যান্সে, মুস্তাফিজ তেমনি স্যামসনের নেতৃত্বে মুগ্ধ ছিলেন।

তিনি বলেন, ‘অধিনায়ক খুবই খুবই ভালো মানুষ। এখানে আসার পর থেকেই তাকে খুব আমার ভালো লেগেছে, যেদিন হাই-হ্যালো হয়েছে ওখান থেকেই। খুব হেল্পফুল একজন মানুষ। মাথা গরম করা ক্যাপ্টেন না।সবার সাথে ওর খুবই ভালো সম্পর্ক। মাথা ঠাণ্ডা রাখে সবসময়।যে সিদ্ধান্ত খুবই বুদ্ধি মত্বার সাথেই নিয়ে থাকে। দলের জন্যও অনেক ভালো কিছু করে। ভালো-খারাপ সব সময়ে ভাবে কীভাবে ভালো করা যায়।’

এক দিকে যেমন ভাষা জটিলতা অন্য দিকে ছিল নতুন দলে মানিয়ে নেওয়ার একটা চ্যালেঞ্জ। এর আগে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ও মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে খেলে যাওয়া মুস্তাফিজ, অবশ্য দ্রুতই মানিয়ে নেন প্রথমবারের মত রাজস্থানের সাথে খেলার সুযোগ পেয়ে। তিনি খুব আনন্দের সাথেই বলেন, ‘আমার মনেই হয়নি এখানে নতুন খেলতে এসেছি। কারন আমি এর আগেও এখানে খেলে গিয়েছি। দল ভিন্ন হলেও দলের খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ-সহ দলের সবাইকে দেখে মনে হয়েছে এটা আমার সেই পুরনো দল। খুব ভালো সময় কেটেছে তাদের সাথে আমার। সবাই অনেক হেল্পফুল এবং অসাধারণ।’

সংবাদটি শেয়ার করুন


এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ

লাইক দিয়ে সাথে থাকুন।

Theme Created By Tarunkantho.Com